Abu-shufian-31Secretary General of Hefazote Islam and renowned Alem Mawlana Junaid Babunagari is in very critical condition. He is being kept in Intensive Care Unit (ICU) under Life Support Machine in Dhaka’s Bardem Hospital. We were told from a reliable source that he was taken in to ICU unit on Tuesday when his situation became worse after an operation on his leg. Prior to that he was admitted to Bardem Hospital from Prison last Saturday. He was taken for treatment as his leg was rotting. After his admission, five Consultants sat for a board meeting to discuss his condition. The final decision was to operate on his leg after his condition became fatal in the space of a few days. The operation was carried out yesterday. However towards the afternoon when his kidney failed he was put in to Kidney Dialysis machine.

Police and a reliable source from the Hospital told us, Babunagari was wounded and bruised with black marks stretching from his waist down to his legs. Severe and callous torture was inflicted on him during Remand. Hefazote Islam leaders have claimed that severe torture in Remand has led to the life and death situation of Babuanagari. The Law Enforcement Agency have placed two CCTV cameras along with Police to guard the hospital room where Babunagari was being treated.

After he was admitted to hospital, Doctors observed countless wound marks that were visible from his waist downwards and other parts of the body. His blood sugar level was 27. Apart from that he was suffering from other illnesses. A medical board was set up to discuss how to treat him using the latest technology. He is currently being treated under the boards close supervision. Within two days his left leg will also be operated on.

After his admission in to Bardem Hospital, Law Enforcement Agency deployed many of its members to guard the room where he was being kept. Police force was also keeping a close eye on who was entering and leaving the room.  For special security two close CCTV cameras were placed in front of his room number 601 last Sunday.

Director of Bardem Hospital Brigadier General (Retired) Shahidul Haque Mollik told us that to discuss the latest treatment facilities for Babunagari a Board was set up last Sunday. There is an urgent need for the swollen area on his left leg to be operated on. The retired Brigadier said after placing CCTV cameras in front of his room even the Hospital staff were told to be weary when they move about. Currently, except for the Police force or specific Doctors treating him no one else is allowed to enter his room.

Police have claimed that after 13 days of remand were over on 21st of May and he was brought to court, Babaunagari made an attestable confession. However Hefazote Islam has said that Mawlana Junaid Babunagari was taken in to Remand and severely tortured, he was then forced to make a false confession under Law 164 by the detective branch. Babunagari did not willingly make that confession and later he was forced to sign a written copy of the fabricated confession which the Police are using as evidence.

Police arrested Mawlana Babunagari on 6th of May from Lalbagh area of Dhaka city. On 7th of May He was taken in to remand for nine days. Finally on the 16th of May, Babunagari was given a further 22 days of remand for 3 cases in Mothijheel prison.

Translated by Feb28 from Amardesh

Source

Razib&-More A Dhaka court on Sunday granted bail to two bloggers – Subrata Adhikari Shuvo and Rasel Pervez – who were arrested over an ICT  case for allegedly defaming Islam.
Dhaka Senior Special Judge Mohammad Zahurul Haque granted bail to Shuvo and Rasel after taking into cognisance the charges against the three bloggers arrested.The court’s Additional Public Prosecutor Tapash Paul told bdnews24.com that the other blogger – Mashiur Rahman Biplab – had submitted no bail petition. “That is why the court granted bail to the two.”These bloggers were accused of ‘inciting religious passions’ through their postings on the Internet.
These bloggers were arrested from Dhaka on Apr 1 following persistent demands by Hifazat-e Islam to punish ‘atheists’.Shuvo, Biplab and Pervez were sent on remand under article 54 as suspects.On Apr 3 morning, another blogger Asif Mahiuddin was taken to the detective police’s office and similarly sent on remand.On Apr 17, police filed two cases against them under ICT regulations. Hearing was to take place on May 12.“The court took into cognisance the cases against Shuvo, Rasel and Pervez. Hearing of Asif Mahiuddin’s case did not took place; no bail pleas came from his side,” Tapash Paul said.Sonia Parvin, Rasel’s sister and one of his lawyers, confirmed to bdnews24.com that there was no bail plea from Asif and Biplab. “His (Biplab) lawyer was not present in court.”

Barrister Jyotirmoi Barua represented Rasel and Shuvo in court.

Dhaka University teachers and students, Ganajagaran Mancha and online activists have been demanding the release of the bloggers, alleging that the government had ‘bowed’ before the extremists by making these arrests.

Bloggers and Online Activists started the movement on Feb 5 which later became popular as Ganajagaran Mancha with the participation of several students and cultural organisations.

Chittagong-based Hifazat-e-Islam rose against Ganajagaran Mancha calling the Mancha supporters ‘atheists’.

Among the four bloggers, Shuvo is a Bangla Department student of Dhaka University. Biplab and Rasel are former students of the prestigious institution.

On the other hand, blogger Asif Mahiuddin was recently attacked. It is believed that the attack was motivated following his write-ups on blogs. He spent some time in Dhaka Medical College and Hospital with critical stab injuries.

If you cannot understand Bangla, there are English articles and media posted elsewhere on this blog.

P1_nastik-char-bloggerkeইসলাম ও রাসুল (সা.)-এর প্রতি অবমাননাকর লেখার অভিযোগে গ্রেফতার নাস্তিক চার ব্লগারকে সরকার শিগগিরই বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে। তাদের আমেরিকায় পাঠানো হচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে তিন ব্লগার জামিন পেয়েছে। আরেক ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনের জামিন হলেই চারজনকে একসঙ্গে অথবা আলাদাভাবে আমেরিকায় পাঠানো হবে বলে ওই সূত্র জানিয়েছে। একটি বিশেষ মহলের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে বিদেশ ভ্রমণের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, গ্রেফতার হলেও কোনো রোগ ছাড়াই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে ডা. সজল ব্যানার্জীর তত্ত্বাবধানে ছিল চার ব্লগার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. প্রাণগোপালের নির্দেশে তারা সেখানে জামাই আদর পেয়েছে। তেমন কোনো রোগ না থাকলেও হার্টের সমস্যা, ফুসফুসে সমস্যা, প্রেসারসহ নানা রোগের কথা লিখে তাদের হাসপাতালের প্রিজন সেলে রাখার ব্যবস্থা করেন ডা. সজল ব্যানার্জী। এখনও এক ব্লগার হাসপাতালে রয়েছে। তারা সেখানে নিয়মিত বাইরে থেকে উন্নতমানের খাবার পাচ্ছে। তাস খেলে ও আড্ডা দিয়ে সময় পার করছে তারা। বিএসএমএমইউ প্রিজন সেলে আটক ব্লগারদের কী রোগ, সে সম্পর্কে জানার জন্য ডা. সজল ব্যানার্জী ও ভিসি ডা. প্রাণগোপালের সাক্ষাত্ চেয়ে পাওয়া যায়নি।
গ্রেফতারের ১৭ দিন পর ব্লগে আপত্তিকর লেখালেখির অভিযোগে গ্রেফতার চার ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, মশিউর রহমান বিপ্লব, রাসেল পারভেজ ও সুব্রত অধিকারী শুভর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দুইটি পৃথক মামলা দেয়া হেয়ছিল। এর আগে ধর্মীয় উসকানিমূলক ব্লগ লেখার অভিযোগে গত ১ এপ্রিল মশিউর রহমান বিপ্লব, রাসেল পারভেজ ও সুব্রত অধিকারী শুভকে এবং ৩ এপ্রিল ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে গত ১৭ এপ্রিল তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর পর আদালতে গত ১২ মে জামিনের শুনানি হয়। প্রথমে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ মো. জহুরুল হক শুনানি শেষে ব্লগার সুব্রত অধিকারী শুভ ও রাসেল পরভেজের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে ব্লগার মশিউর রহমান বিপ্লবেরও জামিন হয়। এখন আসিফ মহিউদ্দিনের জামিন আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সে-ও শিগিগিরই জামিন পেয়ে যাবে বলে জানা গেছে।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, মশিউর রহমান বিপ্লব ফেসবুকে আল্লামা ‘শয়তান’, সামহোয়্যারইন ব্লগে ‘শয়তান’, নাগরিক ব্লগে শয়তান এবং আমার ব্লগে ‘নেমেসিস’ ছদ্মনামে লিখত। রাসেল পারভেজ আমার ব্লগে ‘রাসেল পারভেজ’, সামহোয়্যারইন ব্লগে ‘রাসেল’ ও ‘অপবাক’ ছদ্মনামে লিখত। সুব্রত শুভ সামহোয়্যারইন ব্লগে ‘সাদা মুখোশ’, আমার ব্লগে ‘সুব্রত শুভ’, নাগরিক ব্লগে ‘আজাদ’ ও ইস্টেশন ব্লগে ‘লাল কসাই’ ছদ্মনামে লিখত। আসিফ মহিউদ্দিনও নিজ নামে এবং নানা ছদ্মনামে আপত্তিকর মন্তব্য ও অশালীন তথ্য লিখেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আসামিরা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে ইসলাম ও মহানবী (সা.)-সহ অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে কটূক্তি, ব্যঙ্গচিত্র ও অশালীন বক্তব্য প্রচার করে জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে প্রচণ্ড আঘাত করে আসছিল।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক চিকিত্সক ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই চার ব্লগারকে আমেরিকা পাঠানোর আয়োজন চলছে। সেক্ষেত্রে তাদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করে ভিসা পাওয়া ও আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

Source

Bangladesh’s Jamaat-e-Islami leader, Delwar Hossain Sayadee, was sentenced to death in February for war crimes committed during the country’s war of independence in 1971.

Now a key witness in his trial, who disappeared before he could testify, has turned up in an Indian jail.

A British journalist in Bangladesh says he has evidence to prove that Shukhoranjan Bali was kidnapped by Bangladeshi security forces, leading many to question the fairness of the war trial.

Al Jazeera’s Dominic Kane reports.

Source

If you cannot understand Bangla, there are English articles and media posted elsewhere on this blog.

ডেস্ক রিপোর্ট : ৬ মে রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে ২টা। মতিঝিল এলাকায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের ওপর চলছিল আইনশৃক্সখলা ক্ষাকারী বাহিনীর বিক্ষিপ্ত অ্যাকশন। প্রাণভয়ে ছোটাছুটি করছিলেন নিরীহ আলেম ও ধর্মপ্রাণ মানুষ। ঠিক সে সময় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটের কর্নারে আওয়ামী লীগের শত শত কর্মী জড়ো হয়ে হেফাজতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিল। একপর্যায়ে তাদের হাতে থাকা পেট্রল ও মশালের মতো লম্বা লাঠির মাথায় আগুনের কু-লী দিয়ে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের ফুটপাতের দোকানগুলোয় আগুন লাগানো শুরু করে। মার্কেটের দক্ষিণ কর্নার থেকে শুরু করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পল্টনের সিপিবির অফিস পর্যন্ত বই ও অন্যান্য ছোট দোকানগুলোয় আগুন লাগিয়ে উৎসব করতে থাকে। এমনই বর্ণনা দেন ওই স্থানে থাকা হেফাজত-সমর্থক এক প্রত্যক্ষদর্শী।

রুহুল আমীন নামের ৪০ বছর বয়সী ওই হেফাজত-সমর্থক জানান, মতিঝিলে হেফাজতের সমাবেশে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির অ্যাকশনের খবর পেয়ে সেখানে থাকা তার এক ছোট ভাইকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। মোবাইলে যোগাযোগ করে তিনি তাকে সাউথইস্ট ব্যাংকের কাছে আসতে বলে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ সেখানে পুলিশি অ্যাকশন শুরু হয়। দৌড়ে তিনি একটি গলিতে ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। পুলিশ ও র‌্যাবের মুহুর্মুহু গুলির শব্দে তার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। কিছুক্ষণ পর অ্যাকশন শেষ হলে সেখান থেকে বেরিয়ে দেখেন অসংখ্য হেফাজতকর্মীর নিথর দেহ পড়ে আছে। ওই অবস্থা থেকে দ্রুত তিনি গলির মধ্য থেকে বের হয়ে শিল্প ব্যাংকের পাশ দিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে চলে যাওয়া চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানেও শত শত পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তিনি পল্টন ময়দানের প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে যান। ১০-১৫ মিনিট পর পুলিশ সরে যাওয়ায় নিরাপদ মনে করে সেখান থেকে বেরিয়ে কিছু দূর যাওয়ার পরই তিন-চারজন পুলিশের কবলে পড়েন তিনি। অনিশ্চয়তার মধ্যেও প্রাণ বাঁচাতে পুলিশ সদস্যদের কাছে করুণার সুরে তিনি বলেন, তার ছোট ভাইকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কোনো সাহায্য করতে পারবেন কি না। পুলিশ তাকে ছোট ভাইয়ের খোঁজ বাদ দিয়ে দ্রুত এই এলাকা থেকে চলে যেতে বলে। কোন দিকে যাব, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ তাকে জানায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটের দিকে পুলিশ নেই, ওই দিকে চলে যেতে। পুলিশের কথামতো তিনি সেদিকে যান। কিছু দূর যাওয়ার পর দেখতে পান, মসজিদের দক্ষিণ গেটের কর্নারে কয়েকশ আওয়ামী লীগের কর্মী অবস্থান নিয়ে জয়বাংলা স্লোগান দিচ্ছে। সেখান থেকেই ফুটপাতের দোকানগুলোয় আগুন দেয়া শুরু হয়। তাদের রোষানলে পড়ার ভয়ে ওই আওয়ামী কর্মীদের জটলার মধ্যেই হাঁটতে হাঁটতে সিপিবির অফিস মোড়ে চলে আসেন তিনি। পল্টন মোড়ের দিকে কোনো পুলিশ না দেখে তিনি দ্রুত ওই এলাকা দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে সক্ষম হন।

এক সাক্ষাৎকারে রুহুল আমীন আরও জানান, ওই রাতের কথা মনে হলেই অনেকটা বাকরুদ্ধ হয়ে যান তিনি। একপর্যায় বলেন, ঘটনার পর থেকে বেশ কিছুদিন স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারিনি। ঈমানি দাবি আদায়ে অবস্থানরত হেফাজতকর্মীদের ওপর সরকারের আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারদলীয় ক্যাডারদের এ ধরনের বর্বর হামলা কল্পনাও করা যায় না। তিনি বলেন, ৬ মে রাতের ঘটনা নিজ চোখে কিছুটা দেখার পর সরকার ও মিডিয়ার অপপ্রচার দেখে আরও অবাক হই। কারণ, যে বইয়ের দোকান, কোরআন শরিফ ও অন্য জিনিসপত্র সরকারদলীয় কাড্যাররাই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে উল্লাস করল, পরে সেই আগুনের দায় মজলুম হেফাজতকর্মীদের ওপরই চাপানো হয়েছে। এর চেয়ে জুলুম ও মিথ্যাচার আর কী হতে পারে? এসব অপপ্রচার দেখেই বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে সঠিক ঘটনা পত্রিকায় তুলে ধরতেই তিনি এই স্বেচ্ছায় এই সাক্ষাৎকার দেন বলেও উল্লেখ করেন। আমারদেশ

স্থানীয় সময় :০২১৬ ঘন্টা ১৬ মে ২০১৩

Source

 

Al Jazeera has obtained video footage suggesting that the Bangladesh government has been providing inaccurate death tolls from recent violence.

According to official figures, 11 people had died during fighting between police and protesters from Hifazat-e-Islam, an Islamic group, on May 6, a day protesters refer to as the “Siege of Dhaka”.

Human Rights Watch, a US-based rights group, said that the exact number of deaths resulting from the protests are “unclear”.

“Independent news sources put the figure at approximately 50 dead, with others succumbing to injuries later,” HRW said in a statement on Saturday.

In an interview with Al Jazeera, Bangladesh’s Foreign Minister Dipu Moni downplayed reports of inaccuracy in government figures.

“There can always be an inquiry, there can always be an investigation,” said Moni.

“The government or most of the people in the country doesn’t even think that there was any controversy with the matter,” she added.

Abdul Jalil, a deaf and mute grave digger at Dhaka’s state-run cemetery, communicated that he buried 14 bodies of bearded men with gunshot wounds after the protest, all at night.

The rights group wants an independent inquiry to find out what happened once and for all.

Source